Latest News

Mobile Tips
Computer Tips

Education

Technology

Love

Usefull Post

Recent Posts

Saturday, 20 April 2019

ব্লাস্ট রোগ দমনে কৃষক ভাইদের করনীয়

ব্লাস্ট রোগের  প্রাদুর্ভাব  নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেখা দেয়ায় এ রোগ দমনে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও কৃষক ভাইদের করণীয় সম্পর্কে এক বিবৃতিতে  বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এর উদ্ভিদ রোগ তত্ত্ব বিভাগের প্রধান ড. মো. আব্দুল লতিফ।

ড. লতিফ জানান, নেক ব্লাস্ট  ধানের একটি ছত্রাকজনিত রোগ। ধানের ফুল আসার পর শিষের গোড়ায় এ রোগ দেখা দেয়। শিষের গোড়ায় বাদামি অথবা কালো দাগ পড়ে। শিষের গোড়া  ছাড়াও যে কোন শাখা আক্রান্ত হতে পারে। আক্রান্ত শিষের গোড়া পচে যায় এবং ভেঙ্গে পড়ে। ধান পুষ্ট হওয়ার আগে আক্রান্ত হলে শিষের সব ধান চিটা হয়ে যায়। প্রকৃতপক্ষে, এ রোগের প্রাদুর্ভাব আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল। দিনের বেলায় গরম ও রাতে ঠাণ্ডা, শিশিরে ভেজা সকাল, মেঘাচ্ছন্ন আকাশ, ঝড়ো আবহাওয়া এবং গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি এ রোগের জন্য খুবই অনুকূল। এরকম আবহাওয়া বিরাজ করলে বোরো মৌসুমে আবাদকৃত ধানের বিভিন্ন জাত ব্যাপকভাবে নেক ব্লাস্ট রোগাক্রান্ত হতে পারে।

নেক ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করা যায় না। সাধারণত কৃষক যখন জমিতে নেক ব্লাস্ট রোগের উপস্থিতি সনাক্ত করেন, তখন জমির ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে যায়। সে সময় অনুমোদিত মাত্রায় ঔষধ প্রয়োগ করলেও রোগ দমন করা সম্ভব হয় না। সেজন্য রোগের অনুকূল অবস্থা বিবেচনার পাশাপাশি এ রোগের জীবাণু যেহেতু দ্রুত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই রোগটি দমনের জন্য কৃষক ভাইদের আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন।  
এ রোগ দমনে করণীয় সম্পর্কে ড. লতিফ জানান, যেসব জমির ধান নেক ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়নি, অথচ উক্ত এলাকায় ব্লাস্ট রোগের অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে অথবা ইতোমধ্যেই কিছু স্পর্শকাতর আগাম জাতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করা গেছে, সেখানে ধানের শিষ বের হওয়ার সাথে সাথে অথবা ফুল আসা পর্যায়ে ছত্রাকনাশক যেমন ট্রুপার (৫৪ গ্রাম/বিঘা) অথবা নেটিভো (৩৩ গ্রাম/বিঘা) শেষ বিকালে ৭-১০ দিন অন্তর দু’বার আগাম স্প্রে করতে হবে। ব্লাস্ট রোগের প্রাথমিক অবস্থায় জমিতে পানি ধরে রাখতে পারলে এ রোগের ব্যাপকতা অনেকাংশে হ্রাস পায়। এ বিষয়ে  আরো তথ্য রয়েছে ব্রি ওয়েবসাইটে (www.knowledgebank-brri.org) এবং স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা এ জন্য কৃষকভাইদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারেন।

আসছে ব্যাটারি ছাড়া স্মার্ট ফোন

কল্পনা করুন এমন এক পৃথিবী যেখানে স্মার্ট ফোন , ল্যাপটপ কম্পিউটার, পরিধানযোগ্য এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চলছে ব্যাটারি ছাড়া। এমআইটি এবং অন্য গবেষকরা প্রথম বারের মত সম্পূর্ণরূপে নমনীয়, ব্যাটারি মুক্ত “রেকটেননা” নামের একটি ডিভাইস তৈরি করেছেন যা ওয়াই ফাই সংকেত গুলিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে । মনে করা হচ্ছে এটি ভবিষ্যতে পরিধানযোগ্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা যন্ত্রপাতি এবং ইন্টারনেট অব থিংস এর সেন্সরগুলিতে ব্যবহার করা হবে। সেই ক্ষেত্রে এটি হবে একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার ।
সুত্রঃ সায়েন্স ডেইলি

৪র্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় আমাদের প্রস্তুতি কী?

দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার ৭ম বার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬ থেকে ২০২০ পর্যন্ত) প্রণয়ন করেছে। উক্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি একটি ভাল ডকুমেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। উক্ত পরিকল্পনা বইতে ১৩টি চ্যাপ্টার রয়েছে। বর্ণিত উন্নয়ন পরিকল্পনা নির্ধারিত কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য দেশে যথার্থ দক্ষ জনবলের (উচ্চপর্যায় থেকে নিম্নপর্যায় পর্যন্ত) তীব্র সঙ্কট (Acute Shortage of Skill Manpower) রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে লাখ লাখ দক্ষ জনবল আমদানি করতে চলে যাচ্ছে ৫/৬ বিলিয়ন ডলার।
অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের ঝঙ্কার শোনা যাচ্ছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল অনেক দেশ ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের যাত্রায় পথচলা শুরু করেছে, আবার কোন কোন দেশ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। বাংলাদেশকে বাধ্য হয়েই ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। না হয় ছিটকে পড়তে হবে উন্নয়নের ধারা থেকে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত তিনটি শিল্প বিপ্লব পাল্টে দিয়েছে সারা বিশ্বের গতিপথ ও জীবনধারা। প্রথম শিল্প বিপ্লবটি হয়েছিল ১৭৮৪ সালে বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারের মাধ্যমে। এরপর ১৮৭০ সালে বিদ্যুত ও ১৯৬৯ সালে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের আবিষ্কার ও প্রচলন শিল্প বিপ্লবের গতিকে বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ। তবে আগের তিনটি বিপ্লবকে ছাড়িয়ে সারা দুনিয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি করে নবরূপে আবির্ভূত হয় ইন্টারনেট প্রযুক্তি। এই ইন্টারনেট প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর মেশিন লার্নিংয়ের কল্যাণে এখন যে বিপ্লব শুরু হয়েছে তাকেই বলে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব।
এখন আমরা এক প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের ভিত্তির ওপর শুরু হওয়া ৪র্থ শিল্পবিপ্লব তথা ডিজিটাল এ বিপ্লবের ফলে সবকিছুর পরিবর্তন হচ্ছে গাণিতিক হারে, যা আগে কখনও হয়নি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, বিশ্বের প্রতিটি দেশের প্রতিটি খাতে এ পরিবর্তন প্রভাব ফেলছে, যার ফলে পাল্টে যাচ্ছে উৎপাদন প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনা, এমন কী রাষ্ট্র চালানোর প্রক্রিয়া। আইডিইবি আইসিটি ও ইনোভেশন সেলের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ শাহ আলম মজুমদারের ভাষায় ৪র্থ শিল্পবিপ্লব হচ্ছে ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর নির্মিত মানব সভ্যতার নতুন একটি যান্ত্রিক অনুভূতিপ্রবণ সিস্টেমে পদার্পণ যা একগুচ্ছ ইমার্জিং টেকনোলজি সমন্বিত ও নিখুঁত ক্রিয়াকলাপের ফল। এটা ইন্টারনেটের কল্যাণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিং লার্নিং, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নিউরো-প্রযুক্তির নিত্যনতুন ক্ষমতার প্রকাশ আর প্রচলিত কর্মযজ্ঞের অবলুপ্তির ভীতি মিশ্রিত এক নবতর জগত। ৪র্থ শিল্প বিপ্লব শ্রমবাজার আর ভবিষ্যতের কাজকর্মের ধরন, আয়ের অসমতা, ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের কাঠামোকে ভীষণভাবে প্রভাবিত করছে এবং করবে। সারা বিশ্বের আলোড়নের ছোঁয়া বাংলাদেশেও লেগেছে। ডিজিটাল বিপ্লব বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
ইন্টারনেটের আবির্ভাব এবং বহুমুখী ব্যবহারের ফলে ইতিমধ্যেই ব্যক্তিজীবন, সমাজ এবং রাষ্ট্রে এক অভাবনীয় পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। হাভাস মিডিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট টম গুডউইন পরিবর্তিত ব্যবস্থাকে বর্ণনা করেছেন এমনভাবে- ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় ট্যাক্সি কোম্পানি উবারের নিজের কোনো ট্যাক্সি নেই, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিডিয়া ফেসবুক নিজের কোন কনটেন্ট তৈরি করে না, পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পাইকার কারবারী প্রতিষ্ঠান আলীবাবার কোন নিজস্ব গুদাম নেই এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় আবাসন প্রোভাইডার এয়ার বিএনবির নিজেদের কোন রিয়েল এস্টেট নেই। সত্যিকারের অর্থে তাবৎ দুনিয়ার ব্যবসা বাণিজ্যের তত্ত্ব ও কৌশলের ধারণাই পাল্টে দিয়েছে আর এসব কারণে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ক্লাউস সোয়াব প্রযুক্তির এই পরিবর্তনকে দেখছেন চতুর্থ শিল্পবিপ্লব হিসেবে। আমরা চাই বা না চাই, এতদিন পর্যন্ত আমাদের জীবনধারা, কাজকর্ম, চিন্তা-চেতনা যেভাবে চলেছে সেটা এখন বদলে যেতে শুরু করেছে। এখন আমরা এক প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিকমিউনিকেশন এ আসছে বিশাল পরিবর্তন।
বিশ্বব্যাপী ৪র্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। দক্ষ ও উপযোগী মানব সম্পদ তৈরি করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। এ ব্যাপারে দেশময় কারিগরি শিক্ষার বিস্তার ঘটিয়ে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। প্রযুক্তিনির্ভর সমাজ ব্যবস্থায় দক্ষ মানুষ ছাড়া অন্য কোন উপায়ে তাল মিলিয়ে চলা সম্ভব নয়। প্রযুক্তি নির্ভরতা ছাড়া আমাদের দুটি ভিশনের কোনটিই অর্জন সম্ভব নয়। আর ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং সুযোগ কাজে লাগানোর যথাযথ কৌশল অবলম্বন ছাড়া বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকাও সম্ভব হবে না। উপরের চিত্র থেকে এটা পরিষ্কার যে, একদিকে দেশে দেশে চলছে কর্মীর কাজ হারানোর ঝুঁকি অন্যদিকে চলছে মারাত্মক দক্ষতা সঙ্কট। মনে রাখতে হবে, উন্নত বিশ্বের দেশগুলো কর্মক্ষম দক্ষ জনবলের সঙ্কটে নিমজ্জিত হয়ে অনন্যোপায় হয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার তথা ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের নব নব আবিষ্কারকে স্বাগত জানাচ্ছে, জীবনকে আরও গতিশীল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করার জন্য। অন্যদিকে আমরা এখন ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের অনন্য সোনালী সুযোগের মোক্ষম সময়ে অবস্থান করছি। ২০৩০ সাল যেমন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আন্তর্জাতিক বছর। বাংলাদেশ এখন ডেমোগ্রাফিক ডেভিডেন্ডের অনন্য সোনালি সুযোগের মোক্ষম সময়ে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। ২০৩০ সাল যেমন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের আন্তর্জাতিক বছর। আবার সেই বছরটিই আমাদের সর্বোচ্চ কর্মক্ষম মানুষের দেশ (১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সের মানুষ) বা সর্বনিম্ন নির্ভরশীল মানুষের দেশ হওয়ার বছর। এ সুযোগকে আমরা বলি ‘গোল্ডেন অপরচুনিটি ফর বাংলাদেশ’। এ গোল্ডেন অপরচুনিটিকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত Strategic Workforce Plan বা কৌশলগত শ্রমশক্তি পরিকল্পনা যার ছয়টি স্তর হচ্ছে-
১. কৌশলগত দিক-নিদের্শনা প্রদান
২. কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে যোগ্য জনবলের সরবরাহ বিশ্লেষণ
৩. কর্মসংস্থানের চাহিদার বিশ্লেষণ
৪. সরবরাহ ও চাহিদার ব্যবধান বিশ্লেষণ
৫. সমাধাণ সূত্রায়ন, প্রয়োজনীয় ইন্টারভেনশন এরিয়া ও কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণসহ বাস্তবায়ন
৬. বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ
কৌশলগত কর্মসংস্থান পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গবর্নেন্সের ত্রিমাত্রিক অনুশীলন এখন সময়ের দাবি। গবর্নেন্সের তিনটি মাত্রা বা ডাইমেনশন রয়েছে-
ক. ইন্সস্ট্রুমেন্ট (আইন/হুকুম বা প্রবিধান)
খ. ইন্সস্ট্রুমেন্সসমূহকে কার্যকরণের জন্য প্রোগ্রাম তৈরি/ কর্মসূচী প্রণয়ন/ প্রজেক্ট প্রণয়ন
গ. উক্ত প্রোগ্রাম/ কর্মসূচী/ প্রজেক্ট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে উৎপাদন বা সেবার নির্ধারিত মান যথোপযুক্ত সময়ে নিশ্চিত সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা Strategic Workforce Plan এর ছয়টি স্তরের মধ্যে ১ম স্তরটি বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত হয়েছে। যা আমাদের বহুল আলোচিত স্বপ্ন-ভিশন-২০২১ ও ভিশন-২০৪১। এদিক নির্দেশনা সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক মিশনসমূহ নির্ধারণ করত টিভিইটি (TVET) এনরোলমেন্ট ২০২০ সালে ২০% ২০৩০ সালে ৩০% এবং ২০৪০ সালে অন্তত ৪৫% এ উন্নীত করে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার উপযোগী টিভিইটি (TVET) প্রাজুয়েট তৈরি ও শ্রম বাজারে যুক্ত করার কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। Strategic Workforce Plan এর অন্যান্য স্তর তথা শ্রমশক্তির চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ বিশ্লেষণ ও ব্যবধান নির্ণয়। এ ক্ষেত্রে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের এতদ্বসংক্রান্ত অভিজ্ঞতা, ২০৩০ এ সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মক্ষম জনশক্তির পটেনশিয়ালিটি এবং উন্নত দেশসমূহে জনসঙ্কট ও স্কিল ক্রাইসিসের সুযোগ গ্রহণের লক্ষ্যে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি ও শ্রমশক্তির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য অকুপেশন ভিত্তিক চাহিদা নিরূপণ, সে অনুযায়ী জনসম্পদের সরবরাহ বিশ্লেষণ এবং তদপ্রেক্ষিতে যোগ্যতা ও দক্ষতার ঘাটতি নির্ণয় করার জন্য শ্রমশক্তির একটি ফোরকাসটিং রিপোর্ট তৈরি করা অত্যন্ত জরুরী। এজন্য বিদ্যমান শ্রেণীবিন্যাসকৃত জনবল কাঠামো NTVQF এর হরাইজন্টাল ও ভার্টিক্যাল এক্সিপানশন তথা BQF প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করত- দেশের সামগ্রিক জনগোষ্ঠীকে যোগ্য করে তোলার একটি রোডম্যাপ বা Build Skill Bangladesh ধারণাপত্র নামে আইডিইবি ইতোমধ্যে প্রণয়ন করে সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে যা এ স্তরের জন্য কাজে লাগানো যেতে পারে। পলিসি, পরিকল্পনা ও প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য Build Skill Bangladesh গবেষণা বইটিতে ১৪টি সাধারণ ও ৫টি শিক্ষা প্রযুক্তি বিষয়ক আইন প্রণয়ন এবং আইনের দ্বারা সংশ্লিষ্ট ১৪টি সংস্থা গঠনের সুপারিশ আছে।
এজন্য টিভিইটি (TVET) সংশ্লিষ্ট সকল জনবল তথা পলিসি মেকার, প্রফেশনাল, শিক্ষক ও সাপোর্টিং স্টাফকে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইনস্টিটিউশনাল ও অর্গানাইজেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নির্ধারিত ফ্রেমওয়ার্ক অনুসারে প্রশিক্ষণ প্রদান, স্বল্পতম সময়ে একটি সমন্বিত শিক্ষক যোগ্যতা কাঠামো ও নিয়োগ বিধিমালা তৈরি করে জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে ১২:১ অনুপাতে শিক্ষক নিয়োগ করা এবং যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকদের প্রণোদনার ব্যবস্থাকরণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং মানসম্মত যন্ত্রপাতির সংস্থান, গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে পলিসি, পরিকল্পনা ও প্রজেক্ট প্রণয়নসহ সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালনা করা। ট্রেডিশনাল টিভিইটি (TVET) শিক্ষার্থীদের অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির মূল্যায়ন তথা যোগ্যতা যাচাই NTVQF এ্যাসেসমেন্ট এর আদলে করত গ্র্যাজুয়েটদের সনদ ও তথ্যাবলী অনলাইন ডাটাবেজে সংরক্ষণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা, প্রস্তাবিত ১০০টি অর্থনৈতিক শিল্প জোন এ একটি করে পলিটেকনিক/ভোকেশনাল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং অথনৈতিক শিল্প জোনে এ স্থাপিত শিল্পের ধরন অনুযায়ী টেকনোলজি বা ট্রেড নির্বাচন, শিক্ষা খাতের মোট বাজেটের পর্যায়ক্রমে ৫০% কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দকরণ এবং দক্ষতা ও শ্রমের মূল্য অনুধাবনসহ দক্ষতা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তোলার জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় আগামী বছর থেকেই অন্তত একটি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কোর্স বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।
প্রযুক্তিভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রযুক্তির মানুষকে যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। দক্ষতার যথাযথ মূল্যায়ন করে কারগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধি করে সাধারণ শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি মানসম্মত কারিগরি শিক্ষার সর্বপ্রকার প্রসার ঘটাতে হবে। ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এখনই দেশের চাহিদা ও প্রযুক্তিভিত্তিক মানব সম্পদ গড়ে তুলতে দেশের সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরিবিষয়ক শিক্ষার কোর্স চালু করতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করা ও আর্থিক খাতকে সাইবার নিরাপত্তা প্রদানের জন্য তৈরি করতে হবে সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এজন্য প্রয়োজন হাজার হাজার আইসিটি ও সাইবার নিরাপত্তা কর্মী ও ব্যবস্থাপক। এজন্য এখনই কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমিক পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশকে তথ্য প্রযুক্তিমনস্ক করে গড়ে তুলতে হবে। এমন একটি তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষ প্রজন্ম তৈরি করতে হবে, যাতে ২০২৫ সালের পরে দেশ আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রসমূহে ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের প্রভাব মোকাবেলা করতে পারে। মনে রাখতে হবে, মানহীন সনদধারী দ্বারা এ যজ্ঞ সম্পন্ন করা যাবে না। দক্ষ মানব সম্পদ সৃষ্টি করতে পারলেই প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে আমরা সঠিকভাবে এগুতে পারব। তাহলেই সম্ভব হবে অতিরিক্ত কর্মক্ষম জনমানবকে কাজে লাগানো আর মোকাবেলা করা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ। মোকাবেলা ও উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
উৎস: ICT News

৪৩০ জনকে চাকরি দেবে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের ‘সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি (সিভিডিপি)-৩য় পর্যায়’ শীর্ষক প্রকল্পে ৪টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৪ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
বিভাগের নাম: পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ
প্রকল্পের নাম: সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি (সিভিডিপি)-৩য় পর্যায়
পদের নাম: মাঠ সংগঠক
পদসংখ্যা: ২৫৮ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি/সমমান
বেতন: ১০,২০০ টাকা
পদের নাম: হিসাবরক্ষক
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০৩ বছর
বেতন: ১০,২০০ টাকা
পদের নাম: হিসাব সহকারী
পদসংখ্যা: ০৪ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্যে এইচএসসি
অভিজ্ঞতা: ০৩ বছর
বেতন: ৯,৩০০ টাকা
পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ১৬৭ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি
বেতন: ৯,৩০০ টাকা
চাকরির ধরন: অস্থায়ী
বয়স: ২৩ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা cvdp3.telelalk.com.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ১৪ মে ২০১৯

Thursday, 18 April 2019

আমরা কতটুকু নিরাপদ সাইবার ক্রাইম আইনে?

সাইবার অপরাধ হলো ভার্চুয়াল জগতে কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে সম্মানহানি, কিংবা সরাসরি বা পরোক্ষভাবে শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি করা। এ ধরনের অপরাধ একটি জাতির নিরাপত্তা ও আর্থিক স্বাস্থ্য হুমকির কারন হতে পারে। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও প্রকট হচ্ছে সাইবার ক্রাইম। প্রতি বছর বাড়ছে অপরাধের মাত্রা। হ্যাকিং, তথ্য চুরি থেকে শুরু করে ডার্ক ওয়েবে মানি লন্ডারিংসহ নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে অপরাধীরা। হলি আর্টিজান হামলা ও বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাকিংয়ের ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে সবাই। বাংলাদেশে সিআইডি ও ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি ডিভিশন আলাদাভাবে কাজ করছে এসব বিষয়ে। কিন্তু আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির দুনিয়ায় পাল্লা দিতে কতোটা প্রস্তুত তাঁরা?
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে কোনো মিথ্যা বা অশ্লীল কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করে, যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয় অথবা রাষ্ট্র বা ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়, তাহলে এগুলো হবে অপরাধ। এর শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং সর্বনিম্ন ৭ বছর কারাদণ্ড এবং ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা। এছাড়াও ২০১৮ সালে সরকার ডিজিটাল আইন চালু করেন। সাইবার ক্রাইম আইনের চেয়ে ডিজিটাল আইন ২০১৮ আরো শক্তিশালী। এই আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল মাধ্যমে আক্রমণাত্মক ভয়ভীতি দেখান, তাহলে তাকে তিন বছরের জেল ও তিন লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেয়া হবে।
ডিজিটাল আইনের ৩২ ধারায় বলা হয়েছে, সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কোনো ধরনের তথ্য-উপাত্ত, যে কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি দিয়ে গোপনে রেকর্ড করে, তাহলে সেটা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে এবং এ অপরাধে সেই ব্যক্তি ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন৷ ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, কেউ যদি ধর্মীয় বোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করে, তাহলে তার ১০ বছরের জেল ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা হবে৷ শুধু আইন দ্বারা কি আর সমস্যা সমাধান হবে? কিছু দিন আগে বিবিসি বাংলা একটা নিউজ করেছে, বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ ব্যাংক সাইবার হামলার আতংকে আছে। প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়, সেই মোতাবেক মানুষ বা প্রতিষ্ঠান নিজেদের আপডেট না করলে, যেকোনো সময় যেকোনো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তবে শুধু প্রযুক্তিগত উন্নয়ন যথেষ্ট নয় উল্লেখ যে,এ ধরণের আপগ্রেডেড প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষ জনবল থাকাও জরুরি। আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহৃত আপনার একাউন্ট প্রতিনিয়ত আপডেট করতে হবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো সাইবার ক্রাইম সম্পর্কে সবসময় সচেতন থাকতে হবে।

ইন্টারনেটে ১২ দিন ধীরগতি

সাবমেরিন ক্যাবলের কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশনের টার্মিনেটেড রিপিটার প্রতিস্থাপনের জন্য ২০ এপ্রিল থেকে ১ মে পর্যন্ত ইন্টারনেটে ধীরগতি থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তা সফিকুর রহমান।
তিনি জানান, এসইএ-এমই-ডাব্লিউই-৪ (SEA-ME-WE-4) সাবমেরিন ক্যাবলের বাংলাদেশ ব্রাঞ্চে কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশন হতে প্রথম ও তৃতীয় রিপিটার প্রতিস্থাপনের কাজ সম্ভাব্য ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১ মে পর্যন্ত চলমান থাকবে। এ সময়ে এসএমডাব্লিউ (SMW-4) সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশনে টার্মিনেটেড সার্কিটসমূহ বন্ধ থাকবে। তবে, এসময় এসইএ-এমই-ডাব্লিউই-৫ (SEA-ME-WE-5) সাবমেরিন ক্যাবল ও আইটিসি (ITC) অপারেটরের সার্কিটগুলো চালু থাকবে।
এছাড়া, রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলাকালীন এসইএ-এমই-ডাব্লিউই-৫ (SEA-ME-WE-5) এর মাধ্যমে অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথের সংযোগ প্রদানের কাজ সম্পন্ন করায় আন্তর্জাতিক ভয়েস, ডাটা ও ইন্টারনেট সার্ভিসে উল্লেখযোগ্য কোনো সমস্যা হবে না।
প্রতিষ্ঠানটি জানায়, আইজিডাব্লিউ ও আইআইজি (IGW, IIG) এবং অন্যান্য টেলিকম সংস্থাকে বিএসসিসিএল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে আন্তর্জাতিক সার্কিট চালু রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হয়েছে।
রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলাকালীন দিনগুলোতে ইন্টারনেট গ্রাহকগণ সাময়িকভাবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ধীরগতির সম্মুখীন হতে পারে।

Wednesday, 17 April 2019

অফিসার পদে ২০০ জনবল নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছ বাংলাদেশ ব্যাংক। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অফিসার (জেনারেল) পদে মোট ২০০ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।
বেতন: ১৬০০০ হাজার টাকা থেকে ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা এবং অন্যান্য সুবিধা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হতে যে কোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা চার বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রি। মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট এবং তদূর্ধ্ব পর্যায়ের পসীক্ষায় নূনতম ১ (এক) টিতে প্রথম বিভাগ/শ্রেণি থাকতে হবে। কোনো পর্যায়েই ৩য় বিভাগ/শ্রেণি গ্রহণযোগ্য নয়।
বয়স: ১৭/৪/২০১৯ তারিখে সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং প্রতিবন্ধী প্রর্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
আবেদন প্রপ্রিয়া: অনলইনে https://erecruitment.bb.org.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদনের শেষ তারিখ: ১৬ মে ২০১৯ তারিখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Tuesday, 16 April 2019

মুজিবনগর সরকার : বাংলাদেশের প্রথম সরকার

১৭ই এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭০-এর নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভকারী আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় স্বাধীন-সার্বভৌম ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’, যা ‘বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার’ বা ‘মুজিবনগর সরকার’ নামেও পরিচিত। ১৯৭১-এর ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আ¤্রকাননে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে বাংলাদেশের এই প্রথম সরকার। ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী সরকার’ হিসেবে পরিচিত আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন স্বাধীনতাযুদ্ধকালীন এই সরকারের দক্ষ নেতৃত্ব ও পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধে গৌরবোজ্জ্বল বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি লাভ করে স্বাধীনতা। ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের।
১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে শুরু হওয়া জনগণের প্রতিরোধযুদ্ধ তথা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুক্তিবাহিনী সংগঠন ও সমন্বয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায় এবং এই যুদ্ধে প্রত্যক্ষ সহায়তাকারী রাষ্ট্র ভারতের সরকার ও সেনাবাহিনীর সাথে সাংগঠনিক সম্পর্ক রক্ষায় মুজিবনগর সরকারের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এই সরকার গঠনের সাথে সাথে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ প্রবল যুদ্ধে রূপ নেয় এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বিজয় অর্জন ত্বরান্বিত হয়।
মুজিবনগর সরকার গঠন
১৯৭১-এর ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ শুরু করলে ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ওয়্যারলেসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ১০ এপ্রিল প্রবাসে জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হন। এই অধিবেশনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি এবং তাজউদ্দিন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত হয় বাংলাদেশ সরকার। রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকায় উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে করা হয় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, খন্দকার মোশতাক আহমেদ ও এএইচএম কামারুজ্জামানকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নিয়োগ করা হয়। কর্নেল মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি ঘোষণা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ বেতারে মন্ত্রিপরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়ে ভাষণ প্রদান করেন।
১৭ এপ্রিল ১৯৭১
১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় হাজার হাজার মানুষের সামনে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। দেশি-বিদেশি প্রায় ৫০ সাংবাদিকের সামনে বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র পাঠ এবং মুক্তিবাহিনীর মার্চপাস্ট অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন আ¤্রকানন লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। আনন্দ-আবেগে উদ্বেলিত শত শত কণ্ঠের ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’, গগন বিদারী স্লোগানে স্লোগানে আ¤্রকাননের আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে। চৌকি পেতে তৈরি করা হয় শপথ মঞ্চ। মঞ্চের ওপর সাজানো ৬টি চেয়ার। আশপাশের বাড়ি থেকে চৌকি, চেয়ার ও বাঁশ আনা হয়। ওপরে শামিয়ানাও লাগানো সম্ভব হয়নি, ফলে খোলা আকাশেই মঞ্চ তৈরি করা হয়। বেলা ১টায় শুরু হয় শপথ অনুষ্ঠান।
শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের শুরুতেই কোরআন পাঠ করেন যুবক বাকের আলী। জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ গেয়েছিলেন স্থানীয় মিশনারির শিল্পীরা, তাদের নেতৃত্ব দেন প্রভাষক আসাদুল ইসলাম (প্রয়াত)। তৎকালীন মেহেরপুরের এসডিপিও এসপি মাহবুব উদ্দিনের নেতৃত্বে আনসারের একটি দল অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রীদের গার্ড অব অনার প্রদান করেন। যারা শপথ নেন তাদের পরনে ছিল সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি। অনুষ্ঠানে নেতাদের জন্য পাশের গ্রাম থেকে হাতলবিহীন কতগুলো চেয়ার আনা হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এমএনএ (পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী)। বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামকরণ করে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়। অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। সেই ঘোষণাপত্র রচিত হয় ১৯৭১-এর ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার ভিত্তিতে। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে বলা হয়Ñ
“যেহেতু ১৯৭০ সালের ৭ই ডিসেম্বর হইতে ১৯৭১ সনের ১৭ই জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে প্রতিনিধি নির্বাচিত করা হইয়াছিল।” এবং “যেহেতু এই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণ ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ দলীয় ১৬৭ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত করিয়াছিলেন।”
এবং “যেহেতু জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সনের ৩রা মার্চ তারিখে শাসনতন্ত্র রচনার উদ্দেশ্যে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অধিবেশন আহ্বান করেন।” এবং “যেহেতু আহূত এই পরিষদ স্বেচ্ছায় এবং বেআইনীভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে।” এবং “যেহেতু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করিবার পরিবর্তে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের সহিত পারস্পরিক আলোচনাকালে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ ন্যায়নীতি বহির্ভূত এবং বিশ্বাসঘাতকতামূলক যুদ্ধ ঘোষণা করেন।”
এবং “যেহেতু উল্লিখিত বিশ্বাসঘাতকতামূলক কাজের জন্য উদ্ভূত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশের অখ-তা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।”
… … … “যেহেতু বাংলাদেশের জনগণ তাহাদের বীরত্ব, সাহসিকতা ও বিপ্লবী কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপর তাহাদের কার্যকরী কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করিয়াছে। সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকার বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রতি যে ম্যান্ডেট দিয়াছেন সেই ম্যান্ডেট মোতাবেক আমরা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আমাদের সমবায়ে গণপরিষদ গঠন করিয়া পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আমাদের পবিত্র কর্তব্যÑ সেইহেতু আমরা বাংলাদেশকে রূপায়িত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করিতেছি এবং উহা দ্বারা, পূর্বাহ্নে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা অনুমোদন করিতেছি।”
“এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করিতেছি যে, শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন।
রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদেও অধিষ্ঠিত থাকিবেন। রাষ্ট্রপ্রধানই সর্বপ্রকার প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতার অধিকারী।
রাষ্ট্রপ্রধানের প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগের ক্ষমতা থাকিবে। তাঁহার কর ধার্য ও অর্থব্যয়ের ক্ষমতা থাকিবে। তাঁহার গণপরিষদের অধিবেশন আহ্বান ও উহার অধিবেশন মুলতবি ঘোষণার ক্ষমতা থাকিবে। উহা দ্বারা বাংলাদেশের জনসাধারণের জন্য আইনানুগ ও নিয়মতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য অন্যান্য প্রয়োজনীয় সকল ক্ষমতারও তিনি অধিকারী হইবেন।”
… … … “আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করিতেছি যে, আমাদের এই স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ হইতে কার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে।”
মুজিবনগরের আ¤্রকাননে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম তার ভাষণে বলেনÑ
“আজ এই মুজিবনগরে একটি স্বাধীন জাতি জন্ম নিল। বিগত ২৪ বছর যাবৎ বাংলার মানুষ তাঁর নিজস্ব সংস্কৃতি, নিজস্ব ঐতিহ্য, নিজস্ব নেতাদের নিয়ে এগুতে চেয়েছেন। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানী কায়েমী স্বার্থবাদীরা তা হতে দেয়নি। তারা আমাদের উপর আক্রমণ চালিয়েছে। আমরা নিয়মতান্ত্রিক পথে এগুতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাতেও তারা বাধার সৃষ্টি করে আমাদের উপর চালালো বর্বর আক্রমণ। তাই আমরা আজ মরণপণ যুদ্ধে নেমেছি। এ যুদ্ধে জয় আমাদের অনিবার্য। আমরা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে বিতাড়ন করবোই। আজ না জিতি কাল জিতবো। কাল না জিতি পরশু জিতবোই। বাংলাদেশে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যার ঘটনা দেখেও বিশ্বের মুসলিম রাষ্ট্রবর্গ আজ যে নীরবতা অবলম্বন করছেন তার জন্য আমি গভীরভাবে দুঃখিত। আমি প্রশ্ন করতে চাইÑ লক্ষ লক্ষ নিরীহ নিরস্ত্র মানুষকে বিনা কারণে হত্যা করাকে ইসলাম অনুমোদন করে কি? মসজিদ, মন্দির বা গীর্জা ধ্বংস করার কোন বিধান কি ইসলামে আছে? বাংলাদেশের মাটিতে আর কোন সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে তাদের মাতৃভাষাকে মুক্ত করতে যুদ্ধ করছে। নিরীহ, নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করে সাড়ে সাত কোটি বাঙালির মুক্তি সংগ্রামকে স্তব্ধ করা যাবে না। পৃথিবীর মানচিত্রে আজ যে নতুন রাষ্ট্রের সংযোজন হল তা চিরদিন থাকবে। এমন কোন শক্তি নেই যে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অস্তিত্বকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে পারে।”
শপথ অনুষ্ঠানের পর বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ বলেনÑ
… … … ‘শেখ সাহেবের অসহযোগ আন্দোলন আজ ইতিহাসের অন্তর্গত। অসহযোগ আন্দোলনের ক্ষেত্রে তিনি সৃষ্টি করলেন এক নতুন ইতিহাস। বাংলাদেশে ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত অসহযোগ আন্দোলন যেভাবে এগিয়ে গেছে মুক্তি আন্দোলনের ইতিহাসে তার নজির খুঁজে পাওয়া যাবে না। এত কার্যকরি অসহযোগ আন্দোলন কোথাও সাফল্য লাভ করেনি। পূর্ণ অসহযোগ আন্দোলন চলেছে দেশের সর্বত্র। নতুন গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খানের শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করার জন্য পাওয়া গেল না হাইকোর্টের কোন বিচারপতি। পুলিশ এবং পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসসহ গণ-প্রশাসন বিভাগের কর্মচারিগণ কাজে যোগ দিতে অস্বীকার করেন। জনগণ সেনাবাহিনীর সরবরাহ বন্ধ করে দিল। এমনকি সামরিক দপ্তরের অসামরিক কর্মচারিগণ তাদের অফিস বয়কট করলেন। কেবল কাজে যোগদান থেকে বিরত থেকে তারা ক্ষান্ত হলেন না, অসামরিক প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের লোকেরাও সক্রিয় সমর্থন ও নিজেদের আনুগত্য প্রকাশ করলেন শেখ সাহেবের প্রতি। তারা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করলেন যে, আওয়ামী লীগ প্রশাসনের নির্দেশ ছাড়া তারা অন্য কারো নির্দেশ মেনে চলবেন না।
এ অবস্থার মুখোমুখি হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতাসীন না হয়েও অসহযোগের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থার দায়িত্ব স্বহস্তে গ্রহণে আওয়ামী লীগ বাধ্য হল। এ ব্যাপারে শুধু আপামর জনগণই নয়, বাংলাদেশের প্রশাসন ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন লাভ তারা করেছিলেন। তারা আওয়ামী লীগের নির্দেশাবলী সর্বান্তকরণে মাথা পেতে মেনে নিলেন এবং সমস্যাবলীর সমাধানে আওয়ামী লীগকে একমাত্র কর্তৃপক্ষ বলে গ্রহণ করলেন। অসহযোগ আন্দোলনের ফলে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ফাটল ধরলে দেখা দেয় নানাবিধ দুরূহ সমস্যা। কিন্তু এসব সমস্যাবলীর মধ্যেও বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক দপ্তরের কাজ যথারীতি এগিয়ে যাচ্ছিল।’ … … …
এক নজরে মুজিবনগর সরকার
স্থাপিত     : ১০ই এপ্রিল ১৯৭১
শপথ গ্রহণ : ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১
অস্থায়ী সচিবালয় : মুজিবনগর
ক্যাম্প অফিস : ৮, থিয়েটার রোড, কোলকাতা
রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক    : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তানের কারাগের বন্দী)
উপ-রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)
প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
অর্থমন্ত্রী : এম. মনসুর আলী
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এম কামরুজ্জামান
পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী : খোন্দকার মোশতাক আহমেদ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গঠন : মন্ত্রণালয় ও দফতরসমূহ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার নি¤œলিখিত মন্ত্রণালয়/বিভাগে সংগঠিত হয়Ñ (১) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (২) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (৩) অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (৪) মন্ত্রিসভা সচিবালয় (৫) সাধারণ প্রশাসন বিভাগ (৬) স্বাস্থ্য ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় (৭) তথ্য ও বেতার মন্ত্রণালয় (৮) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (৯) ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় (১০) সংসদ বিষয়ক বিভাগ (১১) কৃষি বিভাগ (১২) প্রকৌশল বিভাগ।
মন্ত্রণালয়ের বাইরে আরও কয়েকটি সংস্থা ছিল, যারা সরাসরি মন্ত্রিসভার কর্তৃত্বাধীনে কাজ করত, যেমনÑ (১) পরিকল্পনা কমিশন (২) শিল্প ও বাণিজ্য বোর্ড (৩) নিয়ন্ত্রণ বোর্ড, যুব ও অভ্যর্থনা শিবির (৪) ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটি (৫) শরণার্থী কল্যাণ বোর্ড।
বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন
মুক্তিযুদ্ধের সহায়ক হিসেবে নি¤œলিখিত বেসরকারি সংস্থা, দল, গোষ্ঠী, সমিতি, বাহিনী ইত্যাদি ভূমিকা পালন করেছেÑ (১) যুব নিয়ন্ত্রণ পরিষদ ও প্রশিক্ষণ বোর্ড (২) বাংলাদেশ হাসপাতাল (৩) স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র (৪) জয় বাংলা পত্রিকা (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র) (৫) বাঙলাদেশ বুলেটিন (৬) বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী সংগঠন (৭) বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (৮) স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল (৯) বঙ্গবন্ধু শিল্পী গোষ্ঠী (১০) বাংলাদেশ তরুণ শিল্পী গোষ্ঠী (১১) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী ও কুশলী সমিতি (১২) বাংলাদেশ সংগ্রামী বুদ্ধিজীবী পরিষদ (১৩) নিউইয়র্ক বাংলাদেশ লীগ (১৪) বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অ্যাকশন কমিটি, লন্ডন (১৫) লিবারেশন কাউন্সিল অব ইন্টেলিজেন্টসিয়া।
বাংলাদেশ সরকার দেশবাসীর প্রতি নি¤œলিখিত নির্দেশাবলী জারি করেÑ
পাক সরকার ও দখলদার বাহিনীকে কোন প্রকার সহযোগিতা করা চলবে না। সকল প্রকার খাজনা, শুল্ক পাক সরকারকে দেয়া চলবে না।
ক্স আঠারো থেকে ত্রিশ বছরের যুবকরা অবিলম্বে মুক্তিফৌজের অধিনায়ক বা প্রতিনিধির সাথে যোগাযোগ স্থাপন করবেন।
ক্স পাটের পরিবর্তে আউস ধান চাষ করতে হবে।
ক্স গণধিকৃত দখলদার নিঃশেষ করতে হবে। সংগ্রামবিরোধী গোয়েন্দাদের নির্মূল করা প্রত্যেকটি বাঙালীর কর্তব্য।
ক্স মুক্তিফৌজের সাথে সর্বপ্রকার সহযোগিতা এবং দখলদার বাহিনীর প্রতিপদে বাধা দিতে হবে।
ক্স সকল সরকারী-বেসরকারী কর্মচারীদের পাক সরকারের অধীনে কাজে যোগ না দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করে মুক্তি সংগ্রামের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
বাংলাদেশ পরিষদ সদস্যবর্গের সমাবেশে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম তার ভাষণে বলেনÑ
‘বন্ধুরা আমার, নির্বাচন উত্তর কালে রমনার রেসকোর্স ময়দানে আমাদের মহান নেতা আমাদেরকে শপথ বাণী উচ্চারণ করিয়েছিলেন। সেদিন সাক্ষী ছিল রেসকোর্স ময়দানের লক্ষ লক্ষ সংগ্রামী জনতা আর বাংলার নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষ। আমি আজ গর্বের সঙ্গে বলব মহান নেতার হাত ধরে আমরা যে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম সে প্রতিজ্ঞায় আমরা অটুট এবং অটল রয়েছি। আপনাদের অসীম মনোবল বিগত কয়েক মাস যাবৎ স্বাধীনতা সংগ্রামকে জিইয়ে রেখেছে। অবশ্যি সঙ্গে সঙ্গে এই কথা বলতে হবে আমাদের যে সমস্ত বীর সৈনিকেরা, মুক্তিফৌজের যে তরুণ সংগ্রামীরা মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছেন তাঁদের অপূর্ব বীরত্ব বাংলার মানুষের জন্য এক গর্বের বস্তু। আর ভবিষ্যৎ ইতিহাসের জন্য তা এক অপূর্ব বীর গাঁথা।’ … … …
‘মূলতঃ এবং বাহ্যত বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হওয়ার মুহূর্তে স্বাধীনতা ঘোষণার বাণী রেখে যান। আমরা জানতাম, বঙ্গবন্ধু যদি গ্রেপ্তার হন, তবে স্বাধীনতা ঘোষণা তিনিই করে যাবেন। আর এই স্বাধীনতা রক্ষা করার জন্যই আমাদের সংগ্রাম করে যেতে হবে।
প্রিয় বন্ধুরা আমার, ২৫শে মার্চের রাতের পরে আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলাম। তাই স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার গঠনের ঘোষণা করতে আমাদের একটু বিলম্ব হয়েছিল।
আমরা যে পাঁচজন শেখ সাহেবের পাশে ছিলাম এবং যাদের কাছে কথিত, লিখিত, অলিখিত সর্বপ্রকারের দায়িত্ব বঙ্গবন্ধু দিয়ে গিয়েছিলেন, ১০ই এপ্রিল তারিখে বাংলার পূর্ব অঞ্চলে সর্বপ্রথমে একত্রিত হলাম। পরিষদের সদস্যবৃন্দ যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের সামনে সেদিন আমি আমার সহকর্মীবৃন্দের তরফ থেকে স্বাধীনতা কার্যকরী করার জন্য পরিকল্পনা পেশ করেছিলাম। তখন যোগাযোগহীন অবস্থায় আপনাদের বেশীর ভাগই ছিলেন বাংলাদেশে শত্রুর দখলীকৃত এলাকার অভ্যন্তরে। অথচ একটা সরকার গঠন না করলে স্বাধীনতা সংগ্রামকে পরিচালনা করা যাচ্ছিল না। সেই হেতু সেদিনের উপস্থিত বন্ধুদের কাছেই আমরা পরিকল্পনা পেশ করেছিলাম।
১৭৫৭ সালে পলাশীর আ¤্রকাননে আমাদের স্বাধীনতা সূর্য অস্তমিত হয়েছিল। আর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের আর একটি আ¤্রকাননে দাঁড়িয়ে আমরা বাংলাদেশের সাড়ে ৭ কোটি মানুষ এবং বঙ্গবন্ধুর তরফ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছি।
স্বাধীনতা ঘোষণা করে ১৭ই এপ্রিল সারা পৃথিবীর মানুষকে যা বলেছিলাম, আমরা বিশ্বাস করি এ আপনাদের অন্তরের বাণী। বিশ্বাস করিÑ ১৭ই এপ্রিলের এই ঘোষণা বাংলার সাড়ে সাত কোটি মানুষের অন্তরের অন্তঃস্থলের মর্মবেদনার এক অগ্নি স্ফুলিঙ্গের বিরাট বিস্ফোরণ।’
গ্রন্থনা : রায়হান কবির

ট্রুকলার থেকে নিজের নাম কীভাবে ‘ডিলিট’ করবেন?

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য দরকারি অ্যাপ ট্রুকলার। কোনও অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলে ট্রুকলারের মাধ্যমে সহজেই সেই কলারের পরিচয় জেনে নেওয়া যায়।
কোন এলাকার সিম, কার নামে সিম ইত্যাদি জেনে নেওয়া যায় এই অ্যাপে। সবচেয়ে সুবিধা হয় কোনও অবাঞ্ছিত ফোন এলে। এই যেমন জীবনবীমা-সংক্রান্ত ফোন, বিভিন্ন ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ড কোম্পানির কাস্টমার সার্ভিসের নম্বর থেকে কল এলে ট্রুকলারই দেখিয়ে দেয় তা স্প্যাম কল কি-না। ফলে কোন ফোনটি রিসিভ এবং কোনটি এড়িয়ে যাবেন, সে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব সহজ হয়ে যায়।
কিন্তু অনেকে আবার নিজের পরিচয় গোপন রাখতে ইচ্ছুক। তারা চান না, কল রিসিভ করার আগেই ট্রুকলারে ভেসে উঠুক নাম। এতে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের সম্ভাবনা থেকে যায় বলেও ধারণা অনেকের। এক্ষেত্রে কী করণীয়?
ট্রুকলার থেকে নিজের নাম সরিয়ে ফেলার পদ্ধতিও রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েড ও আইফোন দু’ধরনের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরাই এই পদ্ধতি প্রয়োগ করে এই অ্যাপ থেকে নিজেদের গোপন রাখতে পারেন।
অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা কীভাবে ট্রুকলার থেকে নিজের নাম ডিলিট করবেন-
- প্রথমে ট্রুকলার অ্যাপটি খুলুন। এরপর ট্রুকলার অ্যাকাউন্টটিতে লগ ইন করুন। এবার একপাশের কোণে একটি People আইকন দেখতে পাবেন। সেটিতে ট্যাপ করে সেটিংয়ে যান। সেখানে About -এ ক্লিক করুন। সেখানেই খুঁজে পাবেন Deactivate অপশনটি। সেটি ট্যাপ করলেই কাজ শেষ।
আইফোন ব্যবহারকারীরা কীভাবে ট্রুকলার থেকে নিজের নাম ডিলিট করবেন-
একইভাবে ট্রুকলার অ্যাপে ঢুকে লগ ইন করুন। এবার gear আইকনে ক্লিক করুন। এরপর About ট্রুকলার বেছে নিয়ে স্ক্রল ডাউন করুন। সেখানেই Deactivate অপশন পাবেন। সেটি ক্লিক করলেই হয়ে যাবে।
তবে এই প্রক্রিয়ার পরও অনেক সময় ট্রুকলারের তালিকায় নাম থেকে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ট্রুকলারের Unlist (https://www.truecaller.com/unlisting) পেজে গিয়ে নিজের মোবাইল নম্বর ও দেশের কোড নম্বর লিখতে হবে। তারপর কেন আপনি নাম সরাতে চান তা জানাতে হবে। 'Captcha'-টি ভেরিফাই করে Unlist অপশনে ক্লিক করুন। তাহলে আর কোনওভাবেই আপনার পরিচয় খুঁজে পাওয়া যাবে না এই অ্যাপের মাধ্যমে।

Monday, 15 April 2019

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিক পদে চাকরি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টে ২টি পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০২ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: শিক্ষা মন্ত্রণালয়
বিভাগের নাম: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ
ট্রাস্টের নাম: প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট
পদের নাম: প্রোগ্রামার
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: কম্পিউটার সায়েন্স/কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং/ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং/ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ে স্নাতক/সমমান
অভিজ্ঞতা: ০৪ বছর
বয়স: ৩৫ বছর
বেতন: ৩৫,৫০০-৬৭,০১০ টাকা
পদের নাম: হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বাণিজ্যে স্নাতকোত্তর/সমমান/২য় শ্রেণির স্নাতক (সম্মান)
বয়স: ৩০ বছর
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা pmedu.teletalk.com.bd এর মাধমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ০২ মে ২০১৯
Entertainment
অনলাইনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তথ্য গুলোকেই সহজে জানবার সুবিধার জন্য একত্রিত করে "পাঁচগাছী ডিজিটাল সেন্টার" । এখানে সংগৃহিত তথ্য/লিংক গুলোর সত্ব (copyright) সম্পূর্ণভাবে সোর্স সাইটের এবং সোর্স সাইটের রেফারেন্স লিংক উদ্ধৃত আছে । এটা সার্চ ইঞ্জিন (search engine) অথবা ডিকশেনারী (Dictionary) নয়। এখান থেকে কোনো কথা উদ্ধৃতি (Reference) হিসেবে দেয়া যাবে না । এটি শুধুমাত্র কোনো বিষয় সম্পর্কে সহজে খোজে জানবার জন্য ভালো গাইড হিসেবে নেয়া যেতে পারে।